বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জ থেকে ফিরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে এনসিপি নেতারা শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে হবিগঞ্জের পথে এনসিপির বহর কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পাইপগান উদ্ধার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার পতনউষারে আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের বৃক্ষরোপণ মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে বিশেষ কর্মসূচি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ,আশঙ্কামুক্ত

কাশ্মীর ইস্যু: প্রতিশোধ নিতে সামরিক হামলার ‘সবুজ সংকেত’ দিলেন মোদি

অনলাইন ডেস্ক / ১৪৫ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (ফাইল ছবি)

জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে সামরিক পদক্ষেপের সবুজ সংকেত দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মঙ্গলবার দেশের তিন বাহিনীর প্রধান, চিফ অব ডিফেন্স অনীল চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। মোদির নয়াদিল্লির বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের ধ্বংসাত্মক আঘাত ভারতের জাতীয় সংকল্প। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের সক্ষমতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। কবে, কখন কোন সময় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে হবে সে ব্যাপারে আপনাদের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।”

এর মাধ্যমে মোদি জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির (সিসিএস) সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। তার আগে মঙ্গলবার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা পরামর্শকের সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি।

গত ২২ এপ্রিল পেহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে ২৬ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় পাকিস্তানকে দোষারোপ করে আসছে ভারত। যদিও পাকিস্তান এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়। এরপর পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালানোর দাবি করে নয়াদিল্লি। তারা বলেছিল, বালাকোটে জইস-ই মোহাম্মদ নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর আস্তানা ছিল। যারা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিজেদের পরিচালনা করে আসছিল এবং সেনাদের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। সূত্র: এনডিটিভিটাইমস অব ইন্ডিয়া, নিউজ নাউ


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর