শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে হবিগঞ্জের পথে এনসিপির বহর
১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের ‘চা-কন্যা ভাস্কর্য’ এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে পথরোধ করা হয়।
পরবর্তী সময়ে পুলিশের দেওয়া ওই ব্যারিকেড ভেঙে এনসিপি নেতারা হবিগঞ্জের দিকে রওনা হলেও পথিমধ্যে মিরপুর এলাকায় আবারও পুলিশের বাঁধায় পড়েন তাঁরা। এ সময় গাড়িবহর আটকে দিলে এনসিপি নেতারা গাড়ি থেকে নেমে সড়কেই অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংগঠনটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তর অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
গাড়িবহরটি শ্রীমঙ্গল শহরের চা-কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় পৌঁছালে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে পুলিশ সড়ক বন্ধ করে দেয়। এনসিপির বহর আটকে দেওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শ্রীমঙ্গল-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘটনার সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু জানান, আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাঁদের পথিমধ্যে আটকে দেওয়া হয়েছিল।
তবে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীমঙ্গলের ওই পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জের দিকে এগিয়ে যায় এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর। কিন্তু হবিগঞ্জের সীমান্তঘেঁষা মিরপুর এলাকায় পৌঁছানোর আগেই পুলিশ দ্বিতীয় দফায় তাঁদের পথরোধ করে। পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে এনসিপি নেতারা গাড়ি থেকে নেমে সড়কেই বসে পড়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছিল এবং এনসিপি নেতারা সড়কেই অবস্থান করছিলেন।







