শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের টহল জোরদার কমলগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে মণ্ডপ পরিদর্শনে থানা পুলিশ কমলগঞ্জে রাতের আঁধারে ১৪টি গাছ সাবাড় শ্রীমঙ্গলে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন শান্তিপূর্ণ পূজার প্রত্যয়ে কমলগঞ্জে আনসার-ভিডিপির ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা মনি মাথায় কালো কাপড়, হাতে কালো পতাকা-পূজার বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকের আন্দোলন ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ – কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত কুলাউড়ায় পানগাছ কাটার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন, স্মারকলিপি ধলাই নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে: আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই -লেখক: হাজী মো. আব্দুস সামাদ

লেখক ও গবেষক, মো. আব্দুস সামাদ / ৮১৭ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে সীমান্ত সংঘর্ষ ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসী হামলাকে কেন্দ্র করে। ইতিহাস সাক্ষী, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বারবার যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে—১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১ ও ১৯৯৯ সালে। প্রতিবারই প্রাণহানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধ নয়, শান্তিই হোক একমাত্র পথ—এই আহ্বান জানাচ্ছে সচেতন নাগরিক সমাজ।

যুদ্ধের পরিণতি: ইতিহাস থেকে শিক্ষা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রতিটি অধ্যায়ই দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ছিল বিপর্যয়কর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ, যেখানে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়, সেই যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়। ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধেও অসংখ্য সৈনিক এবং সাধারণ মানুষ নিহত হন। যুদ্ধ কখনোই স্থায়ী সমাধান নয় বরং আরও জটিলতা সৃষ্টি করে। দুই দেশের সামরিক ব্যয় কোটি কোটি ডলার হলেও, এই অঞ্চল এখনও দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংকটে জর্জরিত।

জনগণের আকাঙ্ক্ষা: শান্তি ও সংলাপ
ভারত ও পাকিস্তানের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ যুদ্ধ চায় না। তারা চায় খাদ্য, শিক্ষা, কাজ এবং নিরাপদ জীবন। দুই দেশের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও পারিবারিক সম্পর্ক বহুপ্রাচীন ও গভীর। সীমান্তের দুই পাশে বহু পরিবার বিভক্ত, বহু বন্ধুত্ব বাঁচাতে চায় এই জনতা।

রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব
এই সময়ে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত উত্তেজনা না বাড়িয়ে, আলোচনার মাধ্যমে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজা। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোও এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছে।

উপসংহার
যুদ্ধ কখনো বিজয়ের চূড়ান্ত পথ নয়। শান্তিই প্রকৃত বিজয় এনে দিতে পারে। দক্ষিণ এশিয়াকে যদি সত্যিই সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নিতে হয়, তবে ভারত-পাকিস্তান উভয়ের উচিত হিংসা ও প্রতিশোধ নয়, বরং সহযোগিতা ও সংলাপের পথ বেছে নেওয়া।

আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই—এই বার্তাই হোক আজকের স্লোগান।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর