ইসলামপুরে চা শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষণা ব্যবসায়ী মহিবুল আলমের
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৯ নং ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা ও চাম্পারায় চা বাগানের পাতা চয়নকারী অবহেলিত শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মহিবুল আলমের নিজস্ব উদ্যোগে ও অর্থায়নে এ রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গত রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুরমা চা বাগানের নাটমন্দিরে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা সুন্দর আলীর সভাপতিত্বে এবং বারহাম মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ দুরুদ আহমেদ। অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মহিবুল আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আবুল হোসেন এবং কমলগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নারায়ণ পাশীসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রেইনকোট বিতরণকালে গেস্ট অব অনার মহিবুল আলম তাঁর আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, “আমি নিজে একজন চা শ্রমিকের সন্তান। তাই এই পিছিয়ে পড়া চা জনগোষ্ঠীর দুঃখ-কষ্ট, অভাব-অনটন আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি ও উপলব্ধি করেছি। এই মেহনতি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ে আমি আজীবন সর্বদা পাশে থাকবো।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে বলেন, “জনগণের প্রকৃত সেবক হওয়ার মহান প্রতিশ্রুতি নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি ৯ নং ইসলামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।” সুখে-দুঃখে অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আগামী নির্বাচনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভোট প্রার্থনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপি নেতা মোঃ দুরুদ আহমেদ মহিবুল আলমের এই মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য মহিবুল আলমের মতো তরুণ, সৎ ও জনদরদী নেতৃত্বকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠান শেষে কুরমা ও চাম্পারায় চা বাগানের ১১ শত পাতা চয়নকারী শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দেওয়া হয়। চলমান বর্ষা মৌসুমে ভিজতে ভিজতে চা পাতা তোলার কষ্টের মাঝে এমন প্রয়োজনীয় উপহার পেয়ে চা শ্রমিকরা গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।







