বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পাইপগান উদ্ধার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার পতনউষারে আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের বৃক্ষরোপণ মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে বিশেষ কর্মসূচি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ,আশঙ্কামুক্ত কমলগঞ্জে ফলন্ত কমলা গাছ নিধনের ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন শ্রীমঙ্গলে র‍্যাব-৯-এর অভিযানে সাইবার অপরাধ মামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭০ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলা চত্বরে জুড়ী উপজেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দ ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বেলাগাঁও গ্রামের সমাজ সেবক রেজান আলী। এতে বক্তব্য দেন মৎস্যজীবী আফতাব আলী, মোস্তাকিম হোসেন, হাবিবুর রহমান, সুমন আহমেদ, মো. হাবিব মিয়া, আবু নাঈম, জাবেদ আহমদ ও আজিজ মিয়াসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে জুড়ীতে কর্মরত থাকার সুযোগে হাকালুকি হাওরকেন্দ্রিক একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাওরের মৎস্যসম্পদ লুটপাট ও বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন তারা।

তাদের দাবি, সরকারি জলমহাল নীতিমালা অমান্য করে বিভিন্ন বিলে সেচ মেশিন ব্যবহার করে পানি শুকিয়ে মাছ আহরণ করা হচ্ছে, যা মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাকালুকি হাওরের চাতলা বিল, তুরল বিল ও নাগুয়াবিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ১০ থেকে ১৫টি মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, অবৈধ মৎস্য শিকার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে এসব কর্মকাণ্ডে পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। এ অবস্থায় অবিলম্বে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের অপসারণ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বদা সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে কাজ করছি। অবৈধ মৎস্য শিকার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর