কমলগঞ্জে তরুণীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বসতঘরে প্রবেশ করে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় লায়েস আহমেদ (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত আসামি পেশায় ট্রলি চালক এবং এলাকায় চিহ্নিত মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগীবিল এলাকার ‘শ্যামল ছায়া আবাসন’ থেকে পুলিশি অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ওই এলাকার মৃত আনিছ মিয়ার ছেলে।
মামলার আরজি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই দুপুরে যোগীবিল গ্রামে ভিকটিমের বসতঘরে এই অপরাধ সংঘটিত হয়। ঘটনার সময় ভিকটিমের ভাই পেশায় রাজমিস্ত্রি খালেদ মিয়া (২৫) কর্মস্থলে ছিলেন এবং তার মা পারিবারিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। ভিকটিম ঘরে একা থাকার সুযোগে আসামি লায়েস আহমেদ বেআইনিভাবে ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় ভিকটিমের আর্তচিৎকারে স্থানীয় পথচারী ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি অবহিত করে ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। পুলিশ এজাহারটি প্রাপ্ত হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আসামির বিরুদ্ধে এলাকায় মাদকসেবন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও পথচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার অপকর্মের কারণে ওই এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অধিবাসীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুব, এসআই রাজু ও এসআই রনির সমন্বয়ে গঠিত পুলিশের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে ‘শ্যামল ছায়া আবাসন’ থেকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।







