বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জ থেকে ফিরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে এনসিপি নেতারা শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে হবিগঞ্জের পথে এনসিপির বহর কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পাইপগান উদ্ধার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার পতনউষারে আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের বৃক্ষরোপণ মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে বিশেষ কর্মসূচি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ,আশঙ্কামুক্ত

মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ভেসে উঠলো বৃদ্ধের মরদেহ

হালচাল ডেস্ক / ৪৮ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬



মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেছে উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এরই মধ্যে বন্যার পানিতে ডুবে আশরাফ আলী ওরফে আশই মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে টেংরা ইউনিয়নের ভাঙারহাট-আকুয়া এলাকার রিং বাঁধের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আশরাফ আলী আকুয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর ও হরিপাশা এলাকায় মনু নদী প্রতিরক্ষা বাঁধে আকস্মিক ভাঙন দেখা দেয়। এরপর রাতের দিকে আকুয়া এলাকায় বাঁধের একটি বড় অংশ ভেঙে তীব্র স্রোতে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যায় একের পর এক গ্রাম। রাতের আঁধারে বন্যার পানিতে আটকা পড়ে নিখোঁজ হন বৃদ্ধ আশরাফ আলী। ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র স্রোতে অসাবধানতাবশত তিনি তলিয়ে যান। আজ সকাল ৯টার দিকে রিং বাঁধের পাশে তাঁর লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা স্বজনদের খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন। এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

টেংরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিন মিয়া বলেন, আশরাফ আলীর মৃত্যুর খবরটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এলাকাটি প্লাবিত হওয়ায় চলাচল করা এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। বন্যাদুর্গত এলাকায় এমন মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে সতর্ক থাকার জন্য মাইকিং করছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আমরা আছি এবং সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

রাজনগর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্গত এলাকার মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি হওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে বা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত সতর্ক করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর