শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে মবশ্বির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা, শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলড্রেস ও গাছের চারা বিতরণ কমলগঞ্জে শিক্ষার্থীর মৃ/ত্যু; বিচার নিশ্চিত করতে মানববন্ধন কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে ভেলকিবাজির উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফর ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার হওয়া অজগর লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠল সিলেট হাম উপসর্গে সিলেটে আরও এক শিশুর মৃত্যু হামহাম জলপ্রপাত রোমাঞ্চ প্রিয়দের হাতছানি দিচ্ছে কুরমার গহীন অরণ্য লাউয়াছড়া উদ্যানের গাছ পাচারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনও’র

ঈদের আগে মজুরি বন্ধ, কমলগঞ্জ-হবিগঞ্জের চার চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৯ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ না পাওয়ার কারণে অর্থ সংকটে পড়ে দেউন্দি টি কোম্পানির অধীন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মিরতিংগা এবং হবিগঞ্জের লালচাঁদ, নয়াপাড়া ও দেউন্দি—এই চারটি চা বাগানে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রতিবাদে সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে শ্রমিকরা একযোগে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

বাগান কর্তৃপক্ষের লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক ঋণ না পাওয়ায় ২১ মে থেকে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক তলব (মজুরি) প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের স্ববেতন ও অন্যান্য ব্যয়ভারও কর্তৃপক্ষ বহন করবে না। তবে ঋণ সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মজুরি দেওয়ার কথা থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি। ঈদুল আজহার আগে মজুরি বন্ধ হওয়ায় শ্রমিক পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। বিশেষ করে মিরতিংগা চা বাগানে বসবাসরত মুসলিম শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বেড়েছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি ও ইউপি সদস্য ধনা বাউরি বলেন, পূর্ণ মজুরি না পাওয়ায় শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। শ্রমিকদের স্ববেতনে বকেয়া মজুরি দেওয়ার নিশ্চয়তাও নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে চা-শ্রমিক সংঘের নেতারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে দৈনিক ১৮৭ টাকা ৪৩ পয়সা মজুরিতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক মজুরি বন্ধ হওয়ায় শ্রমিক পরিবারগুলো মানবিক সংকটে পড়েছে। তারা দ্রুত বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিরতিংগা চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান (ইমন) বলেন, শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই। ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা না যাওয়ায় সময়মতো মজুরি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অর্ধেক মজুরি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শ্রমিকরা তা গ্রহণ করেননি।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর