বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জ থেকে ফিরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে এনসিপি নেতারা শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে হবিগঞ্জের পথে এনসিপির বহর কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পাইপগান উদ্ধার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার পতনউষারে আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের বৃক্ষরোপণ মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে বিশেষ কর্মসূচি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ,আশঙ্কামুক্ত

দুই দিনব্যাপী মণিপুরি থিয়েটারের বিষু ও বর্ষবরণ উৎসব

সালাহউদ্দিস শুভ / ১০৭ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

মণিপুরিদের ঐতিহ্যবাহী বিষু এবং বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন। আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) এই আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে মণিপুরি থিয়েটার।

কমলগঞ্জের ঘোড়ামারায় মণিপুরি থিয়েটারের নটমণ্ডপ প্রাঙ্গণে প্রতিদিন বিকাল ৬টা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠানমালা। দুই দিনের এই উৎসবে অংশ নেবেন শতাধিক শিল্পী, যেখানে মণিপুরি ও বাংলার লোকজ সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটবে।

আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চস্থ হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কর্মফল’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত মণিপুরি থিয়েটারের নাটক ‘খেন্তাম’। পাশাপাশি ময়মনসিংহ গীতিকার আলোকে সায়িক সিদ্দিকীর নির্দেশনায় আহির বাংলার পরিবেশনায় পালানাট্য ‘জয়তুন বিবির পালা’ দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে থাকবে দুটি নাটিকা, পালাগান, চা-জনগোষ্ঠীর শিল্পীদের পরিবেশনায় দণ্ডনাট, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনা। ঋতুবন্দনা, সিনেমা প্রদর্শনী এবং ঐতিহ্যবাহী নিকন খেলা প্রতিযোগিতাও এই আয়োজনকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবে।

নাট্যসাহিত্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত নাট্যকার ও গবেষক মণিপুরি থিয়েটারের পরিচালক শুভাশিস সিনহা (সমীর) জানান, এই দুই দিনের অনুষ্ঠান কেবল বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মণিপুরি ও বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে একত্রে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস। স্থানীয় সংস্কৃতি চর্চা ও সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এটি এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর