শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে মবশ্বির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা, শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলড্রেস ও গাছের চারা বিতরণ কমলগঞ্জে শিক্ষার্থীর মৃ/ত্যু; বিচার নিশ্চিত করতে মানববন্ধন কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে ভেলকিবাজির উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফর ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার হওয়া অজগর লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠল সিলেট হাম উপসর্গে সিলেটে আরও এক শিশুর মৃত্যু হামহাম জলপ্রপাত রোমাঞ্চ প্রিয়দের হাতছানি দিচ্ছে কুরমার গহীন অরণ্য লাউয়াছড়া উদ্যানের গাছ পাচারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনও’র

মৌলভীবাজারে তিন দিনব্যাপী মণিপুরি ঐতিহ্যবাহী ‘লাই হরাওবা’ উৎসব

ডেস্ক রিপোর্ট / ৬২ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

মণিপুরি সম্প্রদায়ের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আচারিক উৎসব ‘লাই হরাওবা’ আগামী ৮ থেকে ১০ এপ্রিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর তেতইগাঁও গ্রামের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনব্যাপী এ উৎসবে দেশের খ্যাতিমান শিল্পী ও গবেষকদের পাশাপাশি ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে আগত শিল্পী, কলাকুশলী ও গবেষকেরা অংশ নেবেন।

উৎসবের আয়োজন ও বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে সোমবার (৬ এপ্রিল) কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘লাই হরাওবা’ স্টিয়ারিং কমিটি, বাংলাদেশের সদস্য সচিব ওইমান লানথই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির আহ্বায়ক ইবুংহাল সিনহা (শ্যামল) ও সদস্য রবি কিরণ সিনহা (রাজেশ)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে বসবাসরত মণিপুরি সম্প্রদায়ের বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ‘লাই হরাওবা’ সংরক্ষণ ও বিকাশে ইউনেস্কো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অর্থায়নে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ‘লাই হরাওবা’ স্টিয়ারিং কমিটি, বাংলাদেশ এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উৎসবটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ পৌরৈঅপোকপা মরূপ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক সংস্থা এবং সাধন বাংলাদেশ।

‘লাই হরাওবা’ মণিপুরি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এর আক্ষরিক অর্থ ‘দেবতাদের আনন্দ উৎসব’। এই উৎসব সৃষ্টি, দিব্য সত্তা, বিশ্বতত্ত্ব ও সম্প্রীতির গভীর প্রকাশ ঘটায়। জটিল আচার-অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, মন্ত্রপাঠ (লাইপৌ) এবং ‘মাইবী জাগোই’সহ স্বতন্ত্র নৃত্যশৈলীর মাধ্যমে উৎসবটি উদযাপিত হয়।

আয়োজকরা জানান, এ উৎসব বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মণিপুরি সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দু, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়ে আসছে। এবারের আয়োজনটি ‘বাংলাদেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগে সম্প্রদায়ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব বাস্তবায়ন’ কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবকে প্রাণবন্ত ও সফল করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর