বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পাইপগান উদ্ধার কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ কমলগঞ্জে বন বিভাগ-বিজিবির যৌথ অভিযানে প্রায় ২৭ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার পতনউষারে আলোর পথ ইসলামি ছাত্র সংগঠনের বৃক্ষরোপণ মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে বিশেষ কর্মসূচি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ,আশঙ্কামুক্ত কমলগঞ্জে ফলন্ত কমলা গাছ নিধনের ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন শ্রীমঙ্গলে র‍্যাব-৯-এর অভিযানে সাইবার অপরাধ মামলার মূলহোতা গ্রেপ্তার

সবুজ পাহাড়ের বাঁকে দৌড়বিদদের প্রাণের উচ্ছ্বাসে সম্পন্ন লাউয়াছড়া ম্যারাথন

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭৪ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রথম প্রহরেই ধ্বনিত হলো পদচারণার ছন্দ। সবুজে ঘেরা পাহাড়ি সড়ক, কুয়াশা ভেজা ভোর আর উদ্দীপনায় ভরপুর মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘লাউয়াছড়া ২৬ কিলোমিটার ম্যারাথন’। স্বাধীনতার এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে আয়োজিত ব্যতিক্রমী এ ক্রীড়া উদ্যোগে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন শত শত দৌড়বিদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফুলবাড়ি পয়েন্ট থেকে ম্যারাথনের যাত্রা শুরু হয়। ভানুগাছ-শ্রীমঙ্গল সড়কের মনোরম প্রকৃতির বুক চিরে দৌড়বিদরা এগিয়ে যান নিজেদের লক্ষ্যে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ, লাউয়াছড়ার ঘন সবুজ বন আর নির্মল বাতাস যেন প্রতিটি পদক্ষেপে যোগ করেছে নতুন অনুপ্রেরণা।

কমলগঞ্জ রানার্স-এর আয়োজনে এবং রাজকান্দি রানার্স-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথনে অংশ নেন পেশাদার ও অপেশাদার দৌড়বিদরা। এবারের আয়োজন ছিল তিনটি ক্যাটাগরিতে—মূল ২৬ কিলোমিটার ম্যারাথনের পাশাপাশি ১০ কিলোমিটার ও ৫ কিলোমিটার দৌড়। ফলে নতুনদের জন্য যেমন ছিল সুযোগ, তেমনি অভিজ্ঞদের জন্যও ছিল চ্যালেঞ্জ।

পুরো আয়োজনটি সফলভাবে পরিচালনা করেন কমলগঞ্জ রানার্স গ্রুপের সমন্বয়ক সৈয়দ জামাল হোসেন, এবাদুর রহমান ও ফয়সল আহমেদ। অন্যদিকে রাজকান্দি রানার্স গ্রুপের সমন্বয়ক সোলেমান হাসান, মো. জাকির হোসেন ও মঞ্জুর হাসান সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

আয়োজকদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অতিরিক্ত ডিজিটাল নির্ভরতা থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনে উৎসাহিত করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। স্বাধীনতার ভোরে এমন স্বাস্থ্যনির্ভর উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝেও সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

প্রতিযোগিতা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৌড় সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মেডেল ও সম্মাননা পুরস্কার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, যারা দৌড়বিদদের উৎসাহ ও অভিনন্দন জানান।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর