শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে মবশ্বির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা, শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলড্রেস ও গাছের চারা বিতরণ কমলগঞ্জে শিক্ষার্থীর মৃ/ত্যু; বিচার নিশ্চিত করতে মানববন্ধন কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে ভেলকিবাজির উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফর ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার হওয়া অজগর লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠল সিলেট হাম উপসর্গে সিলেটে আরও এক শিশুর মৃত্যু হামহাম জলপ্রপাত রোমাঞ্চ প্রিয়দের হাতছানি দিচ্ছে কুরমার গহীন অরণ্য লাউয়াছড়া উদ্যানের গাছ পাচারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনও’র

আপেল না কমলা— কোনটির রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশী?

অনলাইন ডেস্ক / ১৩৪ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

চলছে শীতের মৌসুম। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি রোগবালাইও দেখা দিচ্ছে অনেকের। অনেক মানুষেরই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এ জন্য রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ফলের দিকে ঝুঁকছেন তারা। আর বাজারে এ মুহূর্তে পাওয়া যাচ্ছে মৌসুমি ফল আপেল ও কমলা। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’। আর পরিমাণের তুলনায় কমলা প্রতি ১০০ গ্রামে ৫৩ দশমিক ২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। অন্যদিকে খোসাসহ ১০০ গ্রাম আপেলে ভিটামিনি ‘স পাওয়া যায় ৪ দশমিক ৬ মিলিগ্রাম।

তবে দুটি ফলই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, যা আপনার শরীরকে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে থাকে। শীতে ছোট ছোট রোগ হয় বলে এ সময় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়। ফলে ফল খাওয়ার ব্যাপারেও বিশেষ দৃষ্টি থাকে সবার। সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে— কোন ফলটি আপনাকে শক্তিশালী সুরক্ষা প্রদান করে— আপেল নাকি কমলা? 

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ফল বেশি শক্তিশালী—

দুটি ফলই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, হাইড্রেশন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে, যা বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার মধ্যে শরীরকে সহায়তা করে থাকে। কমলা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ হওয়ায় দ্রুত ঠান্ডা থেকে আরোগ্য লাভে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে আপেল অন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্থিতিশীলতায় ভূমিকা পালন করে থাকে।

এর আগে ২০১৭ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ‘সি’ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সংক্রমণ ব্যবস্থাপনা উন্নত করে। কমলা উল্লেখযোগ্যভাবে ভিটামিন ‘সি’ বেশি প্রদান করে। এ জন্য এটি দ্রুত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প হিসেবে কাজ করে থাকে। সুতরাং কমলায় ভিটামিন ‘সি’ বেশি থাকে।

অন্যদিকে আপেলে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া আপেলে কোয়ারসেটিন থাকে এবং কমলাতে হেস্পেরিডিন ও ভিটামিন ‘সি’ থাকে। আপেল কোয়ারসেটিন সরবরাহ করে, যা প্রদাহবিরোধী এবং ভাইরাসবিরোধী কার্যকলাপে সহায়তা করে। আর কমলা হেস্পেরিডিন ও ভিটাসিন ‘সি’ সরবরাহ করে, যা শ্বাসযন্ত্রের উন্নতির সঙ্গে যুক্ত এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করে। কমলা অল্প সময়ের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের উপশম প্রদান করে থাকে। আর আপেল প্রতিদিনের জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সহায়তা প্রদান করে।

হিলিং ফুডস বইয়ে উল্লেখ রয়েছে, আপেলে থাকা ফ্রুকটোজ ও পলিফেনল বিপাক স্থিতিশীল ও চিনির শোষণকে ধীর করতে সহায়তা করে। এটি এমন মানুষকে সহায়তা করে, যাদের স্থিতিশীল শক্তির প্রয়োজন হয় বা রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় থাকে। কমলা দ্রুত শক্তি নির্গত করে, যা ইনসুলিনের উঠানামা করা মানুষের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। আপেল স্থিতিশীল শক্তি সরবরাহ করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

শীতকালে কোনটি রোগপ্রতিরোধে বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আপেল ও কমলা— দুটিই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তবে কোনটি আপনার জন্য বেশি কার্যকর তা আপনাকেই দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাৎক্ষণিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কমলালেবু বেছে নিতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদী অন্ত্রভিত্তিক রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সারাদিন স্থিতিশীল শক্তি চাইলে আপেল খেতে হবে। অনেকেই শীতে আপেল ও কমলা উভয়ই খান। এটিও ভালো।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর