বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীমঙ্গলে ধুলাবালি থেকে স্বস্তি দিতে সড়কে পৌরসভার পানি ছিটানোর উদ্যোগ ধলই সীমান্তে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ কমলগঞ্জে এক রাতে মসজিদের দানবাক্সসহ ৭ দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে ১৮ পদে নিয়োগ পরীক্ষা ৩০ অক্টোবর ট্রেনের ছাদ থেকে যাত্রীকে ফেলে দিল দুর্বৃত্তরা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার ধলাইয়ের বুকে গ্রামীণ ঐতিহ্যের সুর, মাছ শিকারের উল্লাসে শতবর্ষী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ

শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন প্রেমিকার

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৩৪ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই তরুণী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।

অনশনরত তরুণীর নাম পান্না দাশ (২৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকার সুকুমার সরকার ও আরতি সরকারের মেয়ে।

পান্না দাশ জানান, একই উপজেলার সবুজবাগ এলাকার জহর লাল দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশের সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে তার প্রেমের সম্পর্ক। ওই বছর মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে তারা এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেন। এভিডেভিড করে উজ্জ্বল ওমান চলে যায়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে ছুটিতে আসলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মৌলভীবাজার কালিবাড়ি মন্দিরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রায় দেড়মাস তার মাসির বাড়ি আমতলীতে আমাকে নিয়ে থাকে। ছুটি শেষ হলে সে আবার ওমান চলে যায়। এখনো সে ওমান অবস্থান করছে। আমার সাথে যোগাযোগ বলেন বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী উজ্জ্বল দাশ এখন পরিবারের কথা বলে আমাকে ঘরে তুলছেন না। সকাল থেকে আমি তার বাড়ির গেইটে বসে আছি। শ্বশুর-শাশুড়ি গেইট খুলছেন না। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পরিবার না মানলে কিছু করার নেই।”

আবেগাপ্লুত হয়ে পান্না দাশ বলেন, “আমাকে যদি ঘরে না তোলা হয়, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।”এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলের মা আরতি রাণী দাশ গেইটের ভিতর থেকে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামী বলতে পারবেন।

ইউপি সদস্য পিয়াস দাশ বলেন, আমি অতীতে চেষ্টা করেছি মেয়েটির অধিকার যেন ফিরে পায়, কিন্তু উজ্জ্বল দাশের বাবা বিষয়টি মানছেন না। যেহেতু তারা আমরা ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমি দেখছি মেয়েটার অনশন ভাঙ্গিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করা যায় কিনা।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর