শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে রাতের আঁধারে ১৪টি গাছ সাবাড় শ্রীমঙ্গলে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন শান্তিপূর্ণ পূজার প্রত্যয়ে কমলগঞ্জে আনসার-ভিডিপির ব্রিফিং অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা মনি মাথায় কালো কাপড়, হাতে কালো পতাকা-পূজার বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকের আন্দোলন ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ – কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত কুলাউড়ায় পানগাছ কাটার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন, স্মারকলিপি ধলাই নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা কমলগঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপিত; বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান খাবারের আগে অলিভ অয়েল খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে ধীরে, বলছে গবেষণা

কমলগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩

হালচাল ডেস্ক / ৬৪৩ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে পাঁচ দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজনগর উপজেলার খারপাড়া গ্রামের রাজু আহমেদ (২২) এবং একই উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের জুবেল মিয়া (৩০)। মামলার অপর আসামি রাজনগর হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা কবির (৩০) এখনো পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত জাহেদ আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজনগরের বাহাদুরগঞ্জে আসামি জুবেল মিয়ার বসতবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সহযোগীদের নিয়ে রাতভর ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।

পরবর্তীতে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত জাহেদের বাড়িতে আটকে রেখেও ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। টানা নির্যাতনে ছাত্রীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে আসামিরা তাকে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার কলিমাবাদ ও গিয়াস নগর এবং রাজনগরের গাঙপার এলাকা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কমর উদ্দিন এর দিক নির্দেশনায় এবং এসআই মোহাম্মদ আমির উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই মিঠু রায়, এসআই রাজিব রায় ও এএসআই হামিদুর রহমান সহ সঙ্গীয় ফোর্সের একটি চৌকস দল বিভিন্ন এলাকায় রাতভর প্রায় ২০ ঘণ্টার সাঁড়াশি অভিযান চালায়। অভিযানে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামি কবিরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর