রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সাবেক আইনমন্ত্রীর বান্ধবীর অ্যাকাউন্টে ৩৭৪ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন

অনলাইন ডেস্ক / ২৪৫ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫

গত ২৩ এপ্রিল সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কথিত বান্ধবী তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের নামে থাকা ৩৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের পর ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। আর সর্বশেষ অ্যাকাউন্টে থাকা ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৫৬ হাজার টাকার অবৈধ অর্থের তথ্য পেয়েছে দুদক।

শনিবার (২৪ মে) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের জন্য তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এই বিপুল অর্থের বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য উৎসের পরিমাণ পাওয়া যায় মাত্র ২ কোটি ৬২ লাখ ৭ হাজার ৭২৬ টাকা।

এছাড়াও তার নিজের নামে ৮৮টি হিসাবের মাধ্যমে মোট ২০১ কোটি ৮৮ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪১ টাকা জমা ও ১৭২ কোটি ৬২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪৩ টাকা উত্তোলনসহ সর্বমোট ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন করার তথ্য পেয়েছে দুদক।

দুদক জানিয়েছে, তিনি অবৈধ অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় একটি মামলার অনুমোদন কমিশন প্রদান করেছে।

এরআগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তৌফিকা করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেছিলেন, দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং তৌফিকা আফতাবসহ অন্যান্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্তের জন্য অনুসন্ধানী টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে আনিসুল হকের বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে তৌফিকা আইন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন বিচারিক আদালতে নিয়োগ, বদলি, জামিনসহ বিভিন্ন অবৈধ তদবির বাণিজ্য, দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ ও অন্যান্য নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তৌফিকা তার অবৈধ আয়ের টাকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিকানা অর্জন করেছেন। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও সিটিজেনস ব্যাংকে তার নামীয় অ্যাকাউন্টে ২৩ কোটি ৩১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৩৭ টাকা গচ্ছিত রয়েছে। সিটিজেনস ব্যাংকে তার ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে।তৌফিকা আফতাব অবৈধভাবে অর্জিত ওই সম্পদ হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তার বিরুদ্ধে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর