রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে পর্যটন সম্পদে রূপান্তর করা হবে : পর্যটনমন্ত্রী সিলেটকে পর্যটন ও বিমান যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: পর্যটন মন্ত্রী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মিলনমেলায় শুরু হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিলেটে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতাদের সাথে মতবিনিময়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী পর্তুগালের গোল দরকার, রোনালদোকে নয়: অঁরি শ্রীমঙ্গলে শুরু হচ্ছে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ পাইলট হয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার পথে কমলগঞ্জের মাহির মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পর সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: / ৩৩ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাটে ধলাই নদীর ব্রিজের উত্তর পাশ থেকে আমরতল হয়ে দেওড়াচড়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙন এবং কাদার সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলাই নদীর পাড়সংলগ্ন অংশ, মধ্যবর্তী এলাকা এবং সড়কের শেষভাগের তিনটি টিলা এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব স্থানে যানবাহন চলাচল প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানিতে সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। অনেক সময় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পোশাক নষ্ট হয়ে গেলে তাদের বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অসুস্থ রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক চালকই এ পথে যানবাহন চালাতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের সময়মতো চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)-এর হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এলাকার প্রবীণ মুরব্বী মখলিস মিয়া বলেন, ‘রাস্তা পাকা করার জন্য কত মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছি তার হিসাব নেই। অনেকেই আশ্বাস দিয়েছেন, এখনও দিচ্ছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমার মনে হয়, আমি মারা গেলেও হয়তো এই রাস্তা আর পাকা হবে না।’

একই ধরনের হতাশা প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশিদ বলেন, ‘সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু এই সড়ক আর পাকা হয় না।’

এ বিষয়ে ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, ‘সড়কটির বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি সরেজমিন পরিদর্শন করব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর