শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

কমলগঞ্জে চৈত্রঘাট-দেওড়াচড়া সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: / ৮৫ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাটে ধলাই নদীর ব্রিজের উত্তর পাশ থেকে আমরতল হয়ে দেওড়াচড়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙন এবং কাদার সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলাই নদীর পাড়সংলগ্ন অংশ, মধ্যবর্তী এলাকা এবং সড়কের শেষভাগের তিনটি টিলা এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব স্থানে যানবাহন চলাচল প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানিতে সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। অনেক সময় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পোশাক নষ্ট হয়ে গেলে তাদের বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অসুস্থ রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক চালকই এ পথে যানবাহন চালাতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের সময়মতো চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)-এর হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এলাকার প্রবীণ মুরব্বী মখলিস মিয়া বলেন, ‘রাস্তা পাকা করার জন্য কত মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছি তার হিসাব নেই। অনেকেই আশ্বাস দিয়েছেন, এখনও দিচ্ছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমার মনে হয়, আমি মারা গেলেও হয়তো এই রাস্তা আর পাকা হবে না।’

একই ধরনের হতাশা প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশিদ বলেন, ‘সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু এই সড়ক আর পাকা হয় না।’

এ বিষয়ে ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, ‘সড়কটির বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি সরেজমিন পরিদর্শন করব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর