শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতাদের সাথে মতবিনিময়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী পর্তুগালের গোল দরকার, রোনালদোকে নয়: অঁরি শ্রীমঙ্গলে শুরু হচ্ছে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ পাইলট হয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার পথে কমলগঞ্জের মাহির মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পর সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা; ঝড়ো বতাসে প্যান্ডেল ভাঙলেও চা শ্রমিকদের আবেগের জোয়ার মক্তবে যাওয়ার পথে ৮ বছরের শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত আটক স্মৃ‌তিচারণ: জিয়া প‌রিবার নিজ চোখে দেখাটুকু জীবনেরই সঞ্চয়

ইতিহাসকে ‘ইতিহাসের মতো’ চলতে দেওয়ার দাবি সারজিসের

অনলাইন ডেস্ক / ১৯০ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫
সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে অতীতে অনেক পক্ষপাতিত্ব হয়েছে। বিশেষ করে গত ১৫ বছর এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করেই ইতিহাস আবর্তিত হয়েছে। তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে এখন সময় পরিবর্তন হয়েছে। এখন ইতিহাসকে ‘ইতিহাসের মতো’ চলতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক সারজিস আলম।

শনিবার (২১ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি এই কথা বলেন।

সারজিস আলম লিখেন- ২৪ এর অভ্যুত্থানের পূর্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে শুরু করে সবকিছু ছিল এক ব্যক্তি এবং এক দল কেন্দ্রিক। ইতিহাস মানে শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। ভুল ধরার সুযোগ নেই। ভুল ধরলেই আপনি জামায়াত, শিবির, রাজাকার কিংবা সরকারবিরোধী, দেশবিরোধী ট্যাগ খাবেন।

সারজিস লিখেন- একইভাবে মাঝে মাঝে আওয়ামী লীগের কিংবা সরকারের সমালোচনা করতে পারলেও শেখ হাসিনাকে নিয়ে কিছু বলা যাবে না। শেখ হাসিনা ফেরেশতা। এটা বলার স্পর্ধা দেখালে আপনি আবার ট্যাগ খাবেন। গুম, খুন কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডেরও সম্মুখীন হতে পারেন।

এনসিপি নেতা লিখেন- তখন মনে হতো এমনকি কোনো সময় আসবে কিংবা এমন কিছু মানুষ কি থাকবে যারা দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস অন্তত ১৯৪৭ থেকে শুরু করে ২০০৮ পর্যন্ত আমাদের সামনে তুলে ধরবে?

ইতিহাসের এই অধ্যায়গুলোতে যারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি; তিনি যেকোনো দল, মত, ধর্ম, বর্ণ কিংবা ক্ষেত্রের হোক না কেন, তাদেরকে তাদের যোগ্য জায়গায় স্থান দিতে হবে। তাদের ভালো কাজগুলোকে অ্যাপ্রিশিয়েট করতে হবে, সীমাবদ্ধতাগুলোকে অ্যাড্রেস করতে হবে।

তিনি আরও লিখেন- যারা ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন, গবেষণা করেন, পড়াশোনা করেন, তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি বাকের এই ইতিহাসগুলোকে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নিরপেক্ষ জায়গা থেকে বিভিন্ন পারসপেক্টিভগুলো বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরুন। জনগণ বিচার করুক কোনটা তারা গ্রহণ করবে আর কোনটা গ্রহণ করবে না।

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম এই নেতা লিখেন- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে যাদের যতটুকু অবদান সেগুলো তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি তাদের সীমাবদ্ধতাগুলোকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে। সেই সীমাবদ্ধতা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। কাউকে ফেরেশতা বানানোর প্রয়োজন নেই, আবার কাউকে উপেক্ষা করারও প্রয়োজন নেই। ইতিহাসকে ইতিহাসের মতো করেই চলতে দিতে হবে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর