কমলগঞ্জে ভিডিপি সদস্যদের উদ্যোগে তাল বীজ ও গাছের চারা রোপণ-বিতরণ
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নে পরিবেশ সংরক্ষণ, জনকল্যাণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিকভাবে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন আনসার ও ভিডিপির সদস্য মো. আশরাফুল আলম। এরই ধারাবাহিকতায় তালগাছের বীজ এবং বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা কমান্ড্যান্ট ও কমলগঞ্জ উপজেলা ইউএভিডিওর নির্দেশনায় এবং মো. আশরাফুল আলমের উদ্যোগে উপজেলার করিমপুর আনসার ও ভিডিপি ক্লাবে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে করিমপুর আনসার ও ভিডিপি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে ক্লাব প্রাঙ্গণসহ উপযুক্ত বিভিন্ন স্থানে তালবীজ ও গাছের চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এসব গাছ ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, ছায়া ও ফলের জোগান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে।
আয়োজক মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘আনসার ও ভিডিপি দেশের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। একজন ভিডিপি সদস্য হিসেবে সমাজের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করি। মানুষের উপকার হয় এবং আনসার ও ভিডিপির সুনাম বৃদ্ধি পায়-এমন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে করে যেতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানো, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসতে হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আশরাফুল আলম এর আগেও জননিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। তাঁর এসব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করছে।
করিমপুর আনসার ও ভিডিপি ক্লাবের এক সদস্য বলেন, ‘গাছ লাগানো ও পরিবেশ রক্ষার মতো কাজে আমরা সরাসরি অংশ নিতে পারছি। এতে নিজেদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি আরও বড় পরিসরে করা প্রয়োজন।’
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে কেউ নিয়মিত এ ধরনের কাজ করলে অন্যরাও উৎসাহিত হন। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা শুধু জননিরাপত্তা রক্ষায় নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক সচেতনতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। স্থানীয় পর্যায়ে এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে একদিকে যেমন সবুজায়ন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও সামাজিক দায়িত্ববোধ ও স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব আরও শক্তিশালী হবে।







