সীমান্তে হত্যা ও পুশ-ইনের প্রতিবাদে কমলগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের মানববন্ধন
বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নির্বিচারে সীমান্ত হত্যা এবং জোরপূর্বক পুশ-ইন (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১২ জুন বিকেল ৩:৩০ মিনিটে আদমপুর বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ কেন্দ্রীয় ঘোষিত ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবনতি এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “সীমান্তে প্রতিনিয়ত আমাদের দেশের নাগরিকদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে, যা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য চরম অবমাননাকর। গত ১০০ দিনে বিএসএফের গুলিতে ১৯ জন বাংলাদেশি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ভারত সরকার সুপরিকল্পিতভাবে তাদের নাগরিকদের জোরপূর্বক সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ-ইন) অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের আগ্রাসী ভূমিকা বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য এক বিরাট হুমকি। অবিলম্বে এই পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে গত ১০০ দিনে ১৯ জন বাংলাদেশি নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন। এই ধরনের আগ্রাসী ভূমিকা বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য এক বিরাট হুমকি বলে দাবি করেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
আদমপুর বাজারের এই প্রতিবাদ সমাবেশে ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর আমিরুল ইসলাম কয়সর, কমলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এডভোকেট কামরুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সহ সেক্রেটারি মনসুর আলী, কমলগঞ্জ পৌরসভা জামায়াতের সভাপতি আব্দুল হাই, আদমপুর খেলাফত আন্দোলনের সেক্রেটারি মাওলানা শফিক,এনসিপি উলামা বিভাগের সহ সভাপতি আবু হানিফা।
কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও ১১ দলীয় ঐক্যের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ না হলে দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।







