সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ট্রেনের ছাদ থেকে যাত্রীকে ফেলে দিল দুর্বৃত্তরা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার ধলাইয়ের বুকে গ্রামীণ ঐতিহ্যের সুর, মাছ শিকারের উল্লাসে শতবর্ষী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ভাইয়ের বাড়িতে বোনদের ভূরিভোজের উৎসব ‘নিঙোল চাকৌবা’

সালাহউদ্দিন শুভ / ১৫৯ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

‘নিঙোল চাকৌবা’ মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায়ের একটি উৎসব। ভাইয়ের বাড়িতে বোনকে ভূরিভোজের আমন্ত্রণই এই উৎসবের মূল তাৎপর্য। মূলত ভাইফোঁটার সময় মণিপুরীদের ঐতিহ্যবাহী এ উৎসব পালিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দিনব্যাপী মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামে এ উৎসব উদযাপন করে মৈতৈ মণিপুরী সম্প্রদায়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সিলেট বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রীতম দাশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক (এনসিপি) সামায়েল রহমান, সদস্য রতন দেব, রাসেল সিংহ, আব্দুল গনি, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৮নং কালীঘাট ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুস সত্তার, সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শুভ ও আলমগীর আহমেদ প্রমুখ।

উৎসবের শুরুতে অতিথিদের বরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রীতম দাস বলেন, “আমাদের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, তা খুবই সুন্দর। আমরা একে অপরের প্রতি খুবই আন্তরিক। সবাই যেন এইভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়াই।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের চলমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে আরও দৃঢ় করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে শতাধিক ভাইবোনকে ভূরিভোজ করানো হয় এবং উপহার দেওয়া হয়। আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মণিপুরি শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

‘নিঙোল চাকৌবা’ শব্দের অর্থ ‘ভাই কর্তৃক বোনকে ভূরিভোজের আমন্ত্রণ’। প্রতি বছর কার্তিক মাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এটি মণিপুরিদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব। ভারতের মণিপুর রাজ্য ও বাংলাদেশে মণিপুরি অধ্যুষিত অঞ্চলে এ উৎসব ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদযাপিত হয়ে আসছে। ভাইয়েরা তাঁদের বোনদের ভূরিভোজের আমন্ত্রণ জানান। খাওয়া-দাওয়ার পর তাঁরা বোনদের নানা উপহার দিয়ে আশীর্বাদ করেন।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর