শিরোনামঃ
/
ফিচার
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল—চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে এক বিরল বিস্ময়—নাগলিঙ্গম বৃক্ষ। লম্বা গাছের কাণ্ডজুড়ে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা নয়নাভিরাম ফুল, তার অপূর্ব গন্ধ আরও পড়ুন...
‘ঈদের খুশি সবার তরে,ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে’ আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কমলগঞ্জ পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ এবং প্রবাসে অবস্থানরত প্রিয় প্রবাসী ভাইদের
সিলেটের প্রাচীন ঐতিহ্য চুঙ্গাপুড়া পিঠা প্রায় বিলুপ্তির পথে। গ্রামীণ এলাকার বাড়িগুলোতে চুঙ্গাপুড়ার আয়োজন তেমন আর হয় না। তাই শীতের রাতে খড়কুটো জ্বালিয়ে সারা রাত চুঙ্গাপুড়ার দৃশ্যও দেখা যায় না। একসময়
প্রকৃতির অপরূপ শোভা আর পাহাড়ি পথের দুর্গমতাকে সঙ্গী করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে রাজকান্দি হিল ম্যারাথন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগীবিল এলাকায় আয়োজিত ২৫ কিলোমিটার
পাহাড়ঘেরা সবুজ চা বাগানের কোলে আজ যেন আনন্দের মেলা বসেছিল। কেক কাটা, নাচ, গান আর শিশুদের উচ্ছ্বাসে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চাম্পারায় চা বাগানে উদযাপিত হলো প্রাক-বড়দিনের বিশেষ উৎসব। বৃহস্পতিবার (১৮
তখন হেমন্তের কুয়াশায় মোড়া সকাল। প্রকৃতি যেন নিজেই ঢেকে রেখেছে নিজেকে ঘুমঘুম আবেশে। গাছপালা, পথঘাট, ঘরবাড়ি-সবকিছু নিঃশব্দে বিশ্রাম নিচ্ছে। বাতাসে ভাসছে এক ধরনের কোমল উদাসীনতা। শুকনো পাতারা মৃদু হাওয়ায় দুলে
সিলেট সদর উপজেলার সবুজ খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেব বাজারে সম্প্রতি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশে উদ্বোধন করা হয়েছে “ঘাসফুল ইকো রিসোর্ট”। প্রায় তিন একর জায়গাজুড়ে, ছোট-বড় টিলা ও সবুজের সমারোহে ঘেরা এই নতুন
ভোর ৫ টা বাজতে তখনো এক ঘন্টা বাকি। কম্বল ছেড়ে উঠে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেস হলাম। স্কুলের শিক্ষা সফর নাটোর থেকে ফিরে রাত একটার দিকে ঘুমিয়েছে ছোট ছেলে নিরব। ভাবলাম ঘুম











