শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চা পাতা তুলতে গিয়ে খৈয়া গোখরা, আতঙ্কে শ্রমিকদের কাজ বন্ধ কমলগঞ্জে কমলার বাগান উচ্ছেদ, ফিরছে বনের সবুজ কমলগঞ্জে ১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর কমলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির ফলাফলে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে বিশালাকার সেগুন গাছ চুরি কমলগঞ্জে ওয়ার্ড বিএনপি’র কাউন্সিল সম্পন্ন কমলগঞ্জে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ প্রতিমন্ত্রী বারীর গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত নারীর মৃত্যু

কমলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির ফলাফলে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

হালচাল ডেস্ক / ১৩৭ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬




মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি’র জন্য স্বেচ্ছাসেবী তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরীক্ষা গ্রহণের দীর্ঘ দেড় মাস পর প্রকাশিত এই তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অযোগ্যদের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত প্রার্থীরা। এমনকি মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও এক ব্যক্তি সুপারভাইজার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্য অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই প্রার্থীদের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা নেওয়া হয়। দীর্ঘসূত্রতা শেষে গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার, সদস্য-সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইউসুফ মিঞা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন নাহার পারভীন এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. রকিবুল হকের যৌথ স্বাক্ষরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় বইছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেধা ও দক্ষতাকে পাশ কাটিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনা ও ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

শরীফ মোয়াজ নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকে সরাসরি ইউএনওকে উদ্দেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, “আপনি কীভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড শুমারির সুপারভাইজার সিলেক্ট করলেন? কাদের নির্দেশে আপনি এটা করার সাহস পেলেন, তার চেহারা কমলগঞ্জের সাধারণ জনগণ সবাই চেনে।

এদিকে পূর্বের বিভিন্ন জাতীয় জরিপে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সনদ থাকা সত্ত্বেও অনেক যোগ্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এম এ জুলফিকার আলী নামের এক প্রার্থী আক্ষেপ প্রকাশ করে লেখেন, “আদমশুমারি, খানাশুমারি, জনশুমারি ও অর্থনৈতিক শুমারিতে গণনাকারী ও সুপারভাইজার হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা এবং তিন-চারটি সনদ থাকা সত্ত্বেও আমাকে মূল তালিকায় রাখা হয়নি; ঠেলে দেওয়া হয়েছে অপেক্ষমাণ তালিকায়।

বঞ্চিত প্রার্থীদের অভিযোগ, পূর্ব অভিজ্ঞতাহীন ও অদক্ষ ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়ে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে শুমারির সঠিক তথ্য সংগ্রহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

তবে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দীপ তালুকদার। তিনি বলেন, “আমাদের যেভাবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সে নিয়ম মেনেই সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে স্বেচ্ছাসেবী তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখানে কোনো প্রকার অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ ছিল না।



এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর