শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ু বহিষ্কার শ্রীমঙ্গলে সাবানা হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড টাকা ছাড় দেন না ডিএফও: সিপিজি সদস্যদের ৫ মাসের বেতন বকেয়া মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল ইরানে স্বর্ণপামজয়ী নির্মাতাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের আগের দিন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে ধুলাবালি থেকে স্বস্তি দিতে সড়কে পৌরসভার পানি ছিটানোর উদ্যোগ ধলই সীমান্তে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ কমলগঞ্জে এক রাতে মসজিদের দানবাক্সসহ ৭ দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি

শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা / ৫৬ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিরল প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’-এর একটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুঞ্জবন গ্রাম থেকে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে গ্রামের একটি স্থানে সাপের বাচ্চাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় শিক্ষক একরামুল কবিরের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।

প্রাথমিকভাবে সাপটির প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় সেটিকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে সাপটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত ও বিস্তারিত গবেষণার জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

সাপ বিশেষজ্ঞ শাহরিয়ার সিজার রহমান জানান, উদ্ধার করা সাপটি ‘সাইবোল্ড’স ওয়াটার স্নেক’। এটি অত্যন্ত বিরল প্রজাতির একটি নির্বিষ জলচর সাপ। বাংলায় এ সাপের নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। বাংলাদেশে রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলে এ প্রজাতির সাপ কদাচিৎ দেখা যায়।

তিনি বলেন, সাপটি কলুব্রিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশ ও ভারতের মিঠাপানির জলাশয়, নদী, খাল ও বিলে এদের বসবাস। এদের শরীর তুলনামূলক মোটা এবং পিঠের ওপর কালচে বা ধূসর-বাদামি রঙের ছোপ ছোপ দাগ থাকে।

শাহরিয়ার সিজার রহমান আরও জানান, সাইবোল্ড’স ওয়াটার স্নেক মূলত মাছ ও উভচর প্রাণী, বিশেষ করে ব্যাঙ খেয়ে বেঁচে থাকে। এরা বেশিরভাগ সময় পানিতে কিংবা জলাভূমির আশপাশে অবস্থান করে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক বলেন, উদ্ধার করা সাপটির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর