মৌলভীবাজারে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ‘মাইন্ড ম্যারাথন কুইজ’
পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে জ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের যুক্তিবোধ, চিন্তাশক্তি ও মেধার বিকাশে মৌলভীবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মাইন্ড ম্যারাথন কুইজ প্রতিযোগিতা-সিজন ০৩’। জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির মৌলভীবাজার শহর শাখা এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা একাডেমি, বাজার মডেল স্কুল ও হাফিজা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন রাখা হয়। শুধু মুখস্থনির্ভর জ্ঞানের পরিবর্তে বিভিন্ন বিষয়ে জানার আগ্রহ, দ্রুত চিন্তা করার সক্ষমতা ও যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায় এ আয়োজনে।
আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের সীমাবদ্ধতার বাইরে জ্ঞান অর্জনে উৎসাহিত করা এবং তাদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে জ্ঞানভিত্তিক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের আত্মবিশ্বাসী, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার উদ্যোগ রয়েছে।
ফুলকুঁড়ি আসর মৌলভীবাজার শহর শাখার পরিচালক রেদোয়ান মাহবুব তাহমিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, বরং জ্ঞান, যুক্তিবোধ ও দেশ-সমাজ সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মাইন্ড ম্যারাথনের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করবে। ভবিষ্যতেও শিশু-কিশোরদের মেধা ও মনন বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
ফুলকুঁড়ি আসর সূত্রে জানা যায়, সংগঠনটির ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেওয়া ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘মাইন্ড ম্যারাথন কুইজ প্রতিযোগিতা-সিজন ০৩’ আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশের পর আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি দেশ, সমাজ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমসাময়িক বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়াবে। একই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ভূমিকা রাখবে।







