শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কমলগঞ্জে ৪০টি পলাশের চারা রোপণ

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭৪ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটন এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ৪০টি পলাশ ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার-এর উদ্যোগে সম্প্রতি শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কের কমলগঞ্জ পৌরসভা সংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন রুট। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, চা-বাগানসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাতায়াত করেন। সড়কের দুই পাশে দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় পরিবেশ সৃষ্টি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

  • চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা মুঈদ আশিক চিশতি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সেভ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার-এর মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আহমেদুজ্জামান আলম, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সংগঠনের সহ-সভাপতি রুবেল আহমদ, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আহাদ মিয়াসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, পরিবেশকর্মী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

আয়োজকদের মতে, পলাশ (Butea monosperma) বাংলাদেশের একটি দেশীয় বৃক্ষ, যা তার উজ্জ্বল লাল-কমলা রঙের ফুলের জন্য ‘বসন্তের অগ্নিশিখা’ নামে পরিচিত। বসন্তকালে ফোটা এ ফুল মৌমাছি, প্রজাপতি ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখিকে আকৃষ্ট করে। এর মাধ্যমে পরাগায়ন বৃদ্ধি পায়, যা উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে দেশীয় বৃক্ষরোপণ স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও ইতিবাচক অবদান রাখে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়ন নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার সামাজিক দায়িত্ব। পর্যটন এলাকাগুলোতে দেশীয় বৃক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পর্যটনের নান্দনিকতাও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর