সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খাবারের আগে অলিভ অয়েল খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে ধীরে, বলছে গবেষণা শ্রীমঙ্গলের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি ​শ্রীমঙ্গলে বই পড়া উৎসবের সমাপ্তি, ৭ ‘বেস্ট রিডার’কে ল্যাপটপ প্রদান কমলগঞ্জে ভারতীয় মদসহ দুই যুবক আটক মৌলভীবাজারে ৯ হাজার পানগাছ ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্ত পুঞ্জি পরিদর্শনে পুলিশ শ্রীমঙ্গলে তরুণীকে ফাঁদে ফেলার অভিযোগ: জনরোষে পরিমল পাল মেয়ের শ্বশুরবাড়ির বিরোধ মেটাতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবার দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির বার্তা মুঈদ আশিক চিশতীর, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকতে চান মানুষের মৌলভীবাজারে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় জেলা পুলিশের মতবিনিময় কমলগঞ্জে ১৬ চা-শ্রমিক পরিবারের মাঝে মডেল ঘরের চাবি হস্তান্তর

শ্রীমঙ্গলে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মুসল্লিকে হত্যা, ঘাতক আটক

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা / ১৪৩ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬



:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মসজিদে ফজরের নামাজ পড়া অবস্থায় হাফিজ মিয়া (৫০) নামে এক মুসল্লিকে কলম দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার ভোরে উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের কুমিল্লাপাড়া গ্রামের পূর্ব লইয়ারকুল ফুরকানিয়া জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজ মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত ঘাতক জসিম মিয়াকে (৩০) স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত আটক করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো আজ ভোরেও হাফিজ মিয়া স্থানীয় ফুরকানিয়া জামে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান। নামাজের জামাত চলাকালীন সময়ে হঠাৎ জসিম মিয়া অতর্কিতে হাফিজ মিয়ার ওপর হামলা চালায়। ঘাতক জসিম তার পকেটে থাকা কলম দিয়ে হাফিজ মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে ও গলায় উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে। মসজিদের ভেতরে থাকা অন্যান্য মুসল্লিরা রক্তাত্ব অবস্থায় হাফিজ মিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং ঘাতক জসিমকে আটক করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিব চৌধুরী বলেন,
“খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জসিমকে আটক করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”


মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে এ ধরনের নৃশংস ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ও আতঙ্ক নেমে এসেছে। সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর