শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামীকাল নিজ জেলা মৌলভীবাজারে আসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মৌলভীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত

হালচাল ডেস্ক / ১৮২ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬


“সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত—আসবে এবার নব প্রভাত” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে মহান মে দিবস। শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন, শ্রম অধিদপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়।


সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ ব্যানার-ফেস্টুনসহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি পরবর্তী শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো শ্রমজীবী মানুষ। তাদের শ্রম ও ঘামে সচল থাকে অর্থনীতির চাকা। তাই শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (শ্রীমঙ্গল)-এর উপ-মহাপরিদর্শক তপন বিকাশ এবং পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন নিরাপদ কর্মপরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শ্রমিক প্রতিনিধি আজিজুল হক সেলিম শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সভায় বক্তারা প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও পাওনা সময়মতো পরিশোধ করা। কলকারখানায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি। শ্রম আইন কঠোরভাবে পরিপালনের মাধ্যমে মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, সচেতন নাগরিক এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাজে নতুন করে সচেতনতা তৈরি হবে এবং একটি টেকসই ও মানবিক কর্মপরিবেশ গড়ে উঠবে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর