বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মৌলভীবাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ৭ মামলায় জরিমানা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন করে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে-ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কমলগঞ্জে পোশাক তৈরির প্রশিক্ষণ শুরু মৌলভীবাজারে পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার ‘ক্যাম্প প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপিত কমলগঞ্জে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব উদযাপনে পুলিশের মতবিনিময় সভা মৌলভীবাজারে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পেলেন ৫ গুণীজন কমলগঞ্জে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম; তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কমলগঞ্জে ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন গরু চুরি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগ করলেন এনসিপি নেতা সামায়েল

কমলগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের রমরমা ব্যবসা

ডেস্ক রিপোর্ট / ২২৯ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের রমরমা ব্যবসা। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে তার টেনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, কর্তৃপক্ষ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেয়ে বকেয়া বিল আদায় ও বৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযানে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

জানা যায়, কমলগঞ্জ-শমশেরনগর সড়কের পার্শ্বে আলীনগর চা বাগানের মহসিন আলী তার ঝুপড়ি ঘর থেকে ৬/৭টি বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ টেনে মুরগির ফার্ম চালাচ্ছেন। একইভাবে শমশেরনগর, আলীনগর, মাধবপুর, ভানুগাছ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকান ও কলোনিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব সংযোগ ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, ফ্রিজ, মোটর এমনকি হোটেলও পরিচালিত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা মাস শেষে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পরিশোধ করে নির্বিঘ্নে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।

এদিকে, বৈধ সংযোগের জন্য আবেদনকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পৌর এলাকার গ্রাহক ফয়সল আহমদ অভিযোগ করে বলেন, টাকা জমা দেওয়ার পরও সংযোগ পাইনি। কর্মকর্তারা শুধু সময়ক্ষেপণ করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, এসব অবৈধ সংযোগের পেছনে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা থাকায় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

কমলগঞ্জ জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মো. সাদেক মিয়া বলেন, অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেউ তথ্য দিলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এজিএম শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কমলগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম রঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, যারা অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চা বাগান এলাকায় মুরগির ফার্মে অবৈধ সংযোগের বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর