মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ – কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত কুলাউড়ায় পানগাছ কাটার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন, স্মারকলিপি ধলাই নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা কমলগঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপিত; বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান খাবারের আগে অলিভ অয়েল খেলে রক্তে শর্করা বাড়ে ধীরে, বলছে গবেষণা শ্রীমঙ্গলের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি ​শ্রীমঙ্গলে বই পড়া উৎসবের সমাপ্তি, ৭ ‘বেস্ট রিডার’কে ল্যাপটপ প্রদান কমলগঞ্জে ভারতীয় মদসহ দুই যুবক আটক মৌলভীবাজারে ৯ হাজার পানগাছ ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্ত পুঞ্জি পরিদর্শনে পুলিশ শ্রীমঙ্গলে তরুণীকে ফাঁদে ফেলার অভিযোগ: জনরোষে পরিমল পাল

দাফনের ১৭ দিন পর কিশোরকে জীবিত উদ্ধার!

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৮০ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

সিলেটের ওসমানীনগরে দাফনের ১৭ দিন পর রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) নামে এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ আগস্ট) নবিগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া থানা পুলিশ। পরে জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক।

উদ্ধার রবিউল ইসলাম নাঈম উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের গদিয়ারচর গ্রামের কণাই মিয়ার ছেলে।

এদিকে উদ্ধার নাঈম হত্যা মামলায় কারাগারে আছেন প্রধান আসামি বগুড়ার শিবগঞ্জের ব্যবসায়ী বুলবুল ফকির।

জানা যায়, ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বুলবুল ফকিরের রেস্টুরেন্টে কাজ করতো নাঈম। গত ২৪ জুলাই হঠাৎ উধাও হয়ে যায় সে। নাঈমের মা ছেলেকে নিখোঁজ উল্লেখ করে ওসমনীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর গত ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার হয়। লাশটি নাঈমের বলে চিহ্নিত করে ৫ আগস্ট দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় নাঈমের পরিবারের পক্ষ থেকে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় বুলবুল ফকিরকে আসামি করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান শনিবার নাঈমের আত্মীয় মো. জুবেলের বাড়ি থেকে নাঈমকে উদ্ধার করেন।

এসআই মুস্তাফিজ বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে কিশোর নাঈমকে তার আত্মীয় জুবেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিশোরের মা এবং মামা আদালতে রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে নাঈমের পরিবারের একাধিক সদস্যের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর