শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে যানজট নিরসন ও ফুটপাত উদ্ধারে মাঠে প্রশাসন

ধলাই নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৪২ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর থেকে নদীর বিভিন্ন স্থানে মরা মাছ ভেসে উঠলে সেগুলো সংগ্রহে নামেন স্থানীয় লোকজন। ছোট ছোট শিশুরাও এসব মাছ কুড়িয়ে নিচ্ছে। বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া মাছ খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক। অন্যদিকে, নির্বিচারে মাছ নিধনে নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে নদীতে বিষ প্রয়োগ করে দুর্বৃত্তরা। এতে বাঘমাছ, মিরগা, চিংড়ি, বাইং, গুলশা, মলা-ঢেলা ও পুঁটিসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ মারা যায়। পরে মশারি ও জাল দিয়ে এসব মাছ সংগ্রহ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাছ সংগ্রহ করতে আসা জয়নাল মিয়া ও তাঁর ছেলে জানান, প্রতিবছরই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটে। তাঁরা এসব মাছ বাড়িতে নিয়ে রান্না করে খান। তবে এভাবে মাছ নিধনকে অন্যায় উল্লেখ করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দা তামিম ও নাজমুল হাসান বলেন, শুষ্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। প্রশাসনকে জানিয়েও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। এভাবে মাছ নিধন চলতে থাকলে নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাকুর আহমেদ বলেন, বিষক্রিয়ায় মারা যাওয়া মাছ রান্না করে খেলেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এতে কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিষ প্রয়োগে মারা গেছে বলে সন্দেহ হয়, এমন মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক বলেন, নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি জেলা পর্যায়ের সভায় থাকার কথা জানান।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ তালুকদার বলেন, মাছ যাবে বিষয় প্রয়োগ করে নিধন না করতে পারে সেজন্য আমার উপজেলা মৎস বিভাগ থেকে মাইকিং করিয়েছি। তারপর এমন কাজ করেছে যারা তারা ঠিক করেনি। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর