শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কমলগঞ্জে পূজোর ছুটিতে পর্যটকদের ঢল আসামে ১১ শতাধিক বাংলাভাষী মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভাঙা হলো মসজিদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুই নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মৌলভীবাজারে মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর বড়লেখায় আলোচিত চুরির রহস্য উদঘাটন; চোরাই স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৬ কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মিনি ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কমলগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই সংসারের বিরোধ, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে যানজট নিরসন ও ফুটপাত উদ্ধারে মাঠে প্রশাসন

সিলেট বিআরটিএ অফিসে দুদকের অভিযান, কর্মকর্তার কক্ষ থেকে ব্ল্যাক চেক উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক / ২৩৩ দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর সিলেট কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুুদক)। বুধবার (৭ মে) দুপুরে ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।

সিলেট বিআরটিএ অফিসে ৫০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে সিলেট বিআরটিএ অফিসের মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনর রুম থেকে ৫টি ব্ল্যাংক চেক, ৩টি মোবাইল ফোন এবং একটি হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়।

অভিযোগ আছে হকিস্টিক দিয়ে বিভিন্ন সময় গ্রাহকদের অত্যাচার করতেন তিনি। এছাড়া রেকর্ড কিপার আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে একটি আবেদন ও গ্রাহকের ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার।

দুদক সিলেট অঞ্চল সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন জানান, বিআরটিএ দেশের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সংস্থাটির সেবার মান নিয়ে বহুদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিলেট বিআরটিএ অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি।

তিনি বলেন, অভিযানে সিলেট বিআরটিএ অফিসের মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনর রুম থেকে ৫টি ব্ল্যাংক চেক পাওয়া যায়। তার রুমের আলমারি থেকে ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে, যেগুলো অবৈধ কাজে ব্যবহার করতেন তিনি প্রাথমিক ভাবে প্রমানিত হয়েছে। এছাড়া রুম থেকে একটি হকিস্টিক উদ্ধার করেছে দুদক। এটি দিয়ে বিভিন্ন সময় মানুষকে অত্যাচার করতেন তিনি এ অভিযোগও দুদকের কাছে রয়েছে। ৩টি মোবাইল জাচাই বাছাই করে সিলেট বিআরটিএ অফিসের পরিচালকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রেকর্ড কিপার আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে একটি আবেদনে লাগানো গ্রাহকের ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আমরা সংশ্লিষ্ট কাজপত্র সংগ্রহ করেছে। এগুলো পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর পাঠানো হবে।

তবে এসব অভিযোগের কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত মোটরযান পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন জানান, জব্দ করা মোবাইল ফোন বিভিন্ন অভিযানে জব্দ করা দাললদের। তার রুম থেকে উদ্ধার হওয়া হকিস্টিকটিও তার না। এছাড়া ঘুষ বাণিজ্যের যে অভিযোগে উঠেছে সেগুলোর সাথে তিনি জড়িত না।


এই বিভাগের আরও খবর :
এক ক্লিকে বিভাগের খবর